ফ্যাক্ট চেক মিডিয়া বিজনেস আইডিয়া-১



আমাদের  সংস্কৃতিক প্রাচুর্য, গৌরবময় ঐতিহ্য, তথ্য, শিক্ষা,  অভিজ্ঞতার এক বিশাল ভাণ্ডার থাকলেও আমাদের ফ্যাক্ট এর কোন ভাণ্ডার নেই।নানান বিতর্কিত বিষয়ের নিচে চাপা পড়ে আমরা তথ্যকে জ্ঞানের সাথে গুলিয়ে ফেলেছি। আমরা যেন এক বিতর্ক, কুতর্ক প্রিয় জাতী হয়ে উঠছি। অসহিষ্ণুতা আমাদের রন্ধে রন্ধে প্রবেশ করেছে। আমরা সেই প্রবাদবাক্যকে বাস্তব রুপ দান করতে চলেছি। এক বাঙ্গালী একশ মানুষের সমান হতে পারে কিন্তু একশ    বাঙ্গালী কখনও এক হতে পারে না। দলাদলি, জাত্যভিমান, বংশমর্যাদা, গালাগালি, ক্রন্দল  ইত্যাদি সামাজিক ব্যাধিগুলো ক্রমেই সাধারণ এবং স্বাভাবিক বলে গণ্য হতে চলেছে।





প্রকৃত সত্য বা ফ্যাক্ট আজ আপনার পক্ষের সত্য, আমার পক্ষের সত্য এবং বাস্তবতার  সত্য এই  তিন ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। সত্যকে এখন সহসাই মিথ্যা থেকে আলাদা করা যাচ্ছে না।
এসব কিছুর মূল কারণ প্রকৃত সত্যের অভাব। ফ্যাক্ট এর মূল্য বুঝতে অপারগতা , সত্য  সন্ধান এর উদাসীনতা।
ফলাফল সমাজের প্রতিটি নাগরিক  অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।  নানাপ্রকার নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছে, ভয় এবং আতংকে দিন পার করছে। কোন না কোন প্রকার অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে সমাজের সমস্তরকম অরাজকতা থেকে যে মানুষ মুখ ফিরিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছে, কাল কিংবা পরশু সেই মানুষটিই আবার নতুন  কোন অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছে। সার্বিকভাবে কেউ নিজেকে ১০০% নিরাপদ বলে ভাবতে পারছে না। সবাই যেন অদৃশ্য এক জালে আটকে গেছে।


এখান তাহলে উপায়,  বাইবেলে একটা কথা আছে  Then you will know the truth, and the truth will set you free." John 8:32 

সত্যি কি সত্য আমাদের মুক্তি দিতে পারে? সমস্ত অবিচার , নির্যাতন, দুর্নীতি থেকে মুক্তি দিতে পারে?

একবার হযরত মুহাম্মদ (সা:) এক চোর এসে বললো, চুরি করা আমার রক্তে প্রবেশ করছে , চুরি ছাড়া আমি থাকতে পারি না। আর তাই চুরি করা আমি ছাড়তে পারবো না। আমি জানি চুরি করা খারাপ , কিন্তু তবুও আমি এটা ছাড়তে পারবো না। চুরি করতে নিষেধ করা ছাড়া আমাকে অন্য যে কোন একটা উপদেশ দিন , আমি মেনে চলবো। মহানবী শুধু বললেন  মিথ্যা কথা বলো না।
চোর তো মহাখুশি এ আর এমন কি ,ঠিক আছে  আজ থেকে মিথ্যা কথা বলবো না। এই ওয়াদা করে চলে এসেছিল।

সে মহানন্দে শুধু মিথ্যা কথা না বলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিল ঠিকই। কিন্তু শুধু মিথ্যা কথা না বলতে পারার কারনে টাকে তার সমস্ত মন্দ অভ্যাস ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি। শুধু সত্য তাকে সমস্ত কলুষতা থেকে মুক্তি দিয়েছিল।

সুতরাং আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রকৃত সত্য ধারন করা এবং তার প্রচার করা মানুষকে মনোজাগতিক  শৃঙ্খল মুক্ত করে দিতে  পারে এবং  সমাজের  ব্যাধিগুলোকে দূর করতে পারে । সত্য তথ্য  যেমন একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে , তেমনি একাধিক মানুষ নিয়ে গঠিত সমাজেও ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

শুধু সমাজকে দূষণমুক্ত করলেই সমাজপতিদের দায়দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না,  সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও, পরিচালনার  ব্যবস্থা করতে হয়। এবং এই জন্য দরকার হয় সমাজে জ্ঞানের চর্চা এবং  জ্ঞানী মানুষের উপস্থিতি। জ্ঞানের চর্চার জন্য আমাদের দরকার প্রকৃত সত্য এবং তথ্যের। আমাদের আইডিয়া সেই প্রকৃত সত্যের এবং  জ্ঞানের ভাণ্ডার নিয়েই। 

 অক্সফোর্ড ডিকশনারিতে জ্ঞানের সংজ্ঞায় লেখা আছে
 
Facts, information, and skills acquired through experience or education; the theoretical or practical understanding of a subject”


এছাড়াও সুবিচার অনেকাংশে নির্ভর করে প্রকৃত সত্য বা তথ্যের উপর।
অর্থাৎ আমরা কোন ভাবেই প্রকৃত সত্যের তাৎপর্য অস্বীকার করতে পারছি না।

 ফ্যাক্ট চেকিং এবং ফ্যাক্ট এর ভাণ্ডার নির্মাণের  জন্য আমরা কিছু  প্রস্তাব নিম্নে ব্যাখ্যা করেছি।

কেন প্রকৃত সত্যের অনুসন্ধানঃ 

প্রশ্ন জাগতে পারে কেন প্রকৃত সত্যের অনুসন্ধান।
নয়াম চমস্কির ভাষায় বলতে হয়  It is the responsibility of intellectuals to speak the Truth and expose lies.
~ Noam Chomsky
 অর্থাৎ সমাজের বিবেকবান, বুদ্ধিজীবীদের প্রথমত এবং প্রধান দায়িত্ব হয় প্রকৃত  সত্য বলার এবং মিথ্যাকে জনসম্মুখে প্রকাশ করার।
আমাদের সমাজে এখন সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা প্রকট আকার ধারন করেছে সেটা হচ্ছে,
বিশ্বাস। বিশ্বাস এখন প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণীর মত হয়ে পড়েছে। এই কারনে মানুষ এখন জার কাছে বা যে প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে বিশ্বস্ত তথ্য পাবে সেই প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয়তা, মূল্য , তত বেড়ে যাবে।  

সবাই যার যার দৃষ্টিকোণ থেকে সত্যকে দেখে । সত্য সবসময় অনুভূতি, লিঙ্গ , ত্যাগ , দৃষ্টিভঙ্গি, শক্তি , ক্ষমতার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আসছে। অথচ প্রকৃত সত্যের প্রকৃতি সবসময় সবরকম প্রভাবক থেকে মুক্ত থাকে।



২। সত্য থেকে যখন মানুষ দূরে সরে যায়  তখনই মানুষ বিভ্রম দ্বারা আক্রান্ত হয়।  
৩। সত্য আমাদের অধিকতর শ্রেষ্ঠমানুষের রূপান্তর করে।
৪। সত্য একাই  মন্দ,  ভণ্ডামি, দুর্নীতি , অরাজকতার  বিরোধিতার  জন্য যথেষ্ট.
৫। সত্য আমাদের সুস্থ  বৃদ্ধিতে  সাহায্য করে।
৬।সত্য শক্তিশালী এবং স্থায়ী এবং বিস্ময়করও বটে।
৭। সত্যের সাহায্যে সুবিচার নিশ্চিত করা যায়।
৮। সত্যের সহায়তায় জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ করা যায়।
৯। সত্যের সাহায্যে ভাল ও মন্দের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
১০। সত্যের সাহায্যে অধিকতর ভাল মানুষ চেনা যায় এবং ভাল মানুষ নির্বাচন করা যায়।
সত্য বলে  কোন একটা ঘটনার ইতি টানা যায়সবকিছু আবার নতুন করে শুরু করা যায়কিন্তু একবার  মিথ্যা বললে আবার মিথ্যা বলতে হয় , কোন কোন সময় মিথ্যা বলতে বাধ্য হতে হয়।  
  মিথ্যা দিয়ে আপনি বিশ্বের এগিয়ে পেতে পারে - কিন্তু আপনি পুনরায় সেখানে  ফিরে যেতে পারেন না।
মিথ্যার গতি থাকে , কিন্তু সত্যের থাকে স্থায়িত্ব
১০মিথ্যার হয়তো বর্তমানকে দেখভাল করার ক্ষমতা থাকে কিন্তু মিথ্যার কোন ভবিষ্যৎ থাকে না
১১প্রতিটি মিথ্যার একটা পরিনাম আছে , যা আপনাকে ভোগ করাই লাগে

মিথ্যা কি আসলেই সমস্যা? 
১।একবার চিন্তা করুন যে খেলোয়াড় শক্তিবর্ধক ড্রাগ নিয়ে মাঠে খেলতে নামে। আপনি কি সত্যি তার খেলা দেখতে আগ্রহ বোধ করবেন?
২। চিন্তা করুন একজন মিথ্যাবাদী রাজনীতিবিদের কথা । যে তার আখের গোছাতে অহরত মিথ্যা কথা বলে। আপনি কি সত্যি তাকে ভোট দেয়ার আগ্রহ বোধ করবেন?
৩। চিন্তা করুন একটা সংবাদপত্রের কথা যেটা তার পৃষ্ঠপোষকদের খুশি করতে মিথ্যা এজেন্ডা তৈরি করে।বস্তুনিষ্ঠ খবরকে ধামাচাপা দেয়। আপনি কি সত্যি আগ্রহবোধ করবেন সেই সংবাদ পত্র পাঠ করতে?

৪। যে পুলিশ ঘুষ নিয়ে এজাহারে সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে দেয়। আপনি কি চাইবেন সেই পুলিশের কাজে কোন অভিযোগ নিয়ে যেতে?
৫। আপনার সঙ্গী/সঙ্গিনী পরকীয়ার জড়িয়ে পড়েছে। আপনি কি পারবেন তার প্রতিটি কথাকে ঠিক আগের মত বিশ্বাস করতে?
৬। এক বিজ্ঞানী আবিষ্কার সম্পর্কে  মিথ্যা বর্ণনা দিয়েছে। পরবর্তীতে কি তার বক্তব্য সেই মাত্রার গ্রহণযোগ্যতা পাবে?
৭। খাবার প্রস্তুতকারক  কোম্পানি খাবারে বিষাক্ত ক্যামিক্যাল দেয়ার কথা আপনার  জানা আছে। আপনি কি পারবেন নিঃসঙ্কোচে সেই খাবার আপনার বাচ্চার মুখে তুলে দিতে?  

৮। ঔষধ প্রস্তুতকারক ঔষধের নামে শুধু আটার তৈরি ট্যাবলেট তৈরি করে বলে আপনি জানেন। আপনি কি আপনার কষ্টের টাকা খরচ করে সেই ঔষধ কিনবেন কখনও? 


সমাধানঃ
ফ্যাক্ট ভাণ্ডার তৈরি করা এবং ফ্যাক্ট চেকিং এর ব্যবস্থা করা। একমাত্র প্রকৃত সত্যই পারে আমাদের সকল গোঁড়ামির , সকল প্রকার অরাজকতার , অবিচার , অনাচার কালো থাবা থেকে মুক্ত করতে।

যে সব বিষয়গুলো নিয়ে মানুষের মনে বেশি জিজ্ঞাসা সেগুলো সার্ভের মাধ্যমে জেনে সেইসব বিভাগ তৈরি করতে হবেঃ উদাহরণস্বরূপ
১। পত্রিকায় প্রকাশিত ফ্যাক্ট
২। রাজনীতিবিদ সম্পর্কে ফ্যাক্ট
৩। ইতিহাস সম্পর্কে ফ্যাক্ট
৪। বিজ্ঞান সম্পর্কে ফ্যাক্ট
৫। আইন সম্পর্কে ফ্যাক্ট
৬। ধর্মীয় ইস্যু সম্পর্কে ফ্যাক্ট
৭। শিক্ষা সম্পর্কে ফ্যাক্ট ইত্যাদি

কিভাবে কাজটা করবোঃ?
বিটিআরসি দেয়া তথ্য মতে বাংলাদেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪ কোটির মাইলফলক অতিক্রম করেছে অর্থাৎ প্রতি চারজন মানুষের মধ্যে একজন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এই বিপুল সংখ্যক জনগণকে প্রকৃত সত্য এবং তথ্য দিতে পারলেই। বাংলাদেশের চেহারা দ্রুত বদলে যাবে।

এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে  প্রকৃত সত্য জানানোর মাধ্যমে আমরা কাজটা করতে পারবো।

এখানে প্রকৃত সত্য ছাড়াও আরও থাকবে
 সত্য
বেশিরভাগ সত্য
অর্ধেক সত্য
বেশিরভাগই মিথ্যা
মিথ্যা
মানুষ জানতে পারবে তারা সত্যের কোন স্তরের সাথে কারবার করছে।


 অদূর ভবিষ্যতে টাকা আয়ের উৎস হতে পারে  এই ওয়েবসাইটঃ  
১। বিপুল সংখ্যক ইন্টারনেট ট্রাফিক তৈরি হবে ফলে শুধুমাত্র ট্রাফিক উপস্থিতি বিক্রি করেই প্রচুর টাকা পাওয়া সম্ভব হবে ।
২। প্রচুর দর্শনার্থী থাকবে বিধায়  বিজ্ঞাপনও প্রচুর পাওয়া যাবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে , বিজ্ঞাপন দাতাদের তোয়াজ করার দরকার হবে না। কারণ সত্য প্রকাশ করাই এই সাইটের মূল উদ্দেশ্য থাকবে।
৩। সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক তাই কাগজে ছাপানোর  তুলনায় অনেক খরচ কম হবে।
৪। সার্ভে করা যাবে , এবং সেগুলোর মান ও সংখ্যাও প্রচুর হবে । ফলে কোম্পানিগুলো এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে সার্ভে করতে আগ্রহান্বিত হবে।  
৫। আস্তে আস্তে এইটা একটা শিক্ষামূলক  প্রতিষ্ঠানের রুপ নেবে।
৬। মানুষ এখান থেকে ট্রেনিং নেবে যেমনঃ PR,HR , Journalist, etc.
৭। এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ইউনিট থেকে বছর শেষে  যে পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে , তা হবে একদম সত্য। খুন , ধর্ষণ, রাহাজানি, উৎপাদন সবকিছুর পুঙ্খানুপুঙ্খও রিপোর্ট থাকবে প্রমান সহকারে। যা বিভিন্ন সংস্থার কাছে বিক্রিও করা যাবে।
৮। একেকটা বিভাগের গ্যারেন্তি একেকটা কোম্পানি বহন করবে। সেই বিভাগের কোন তথ্য ভুল প্রমানিত হলে অভিযোগকারীকে ১-১০হাজার টাকা পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে।   






আরও যেসব উপকারিতা লক্ষ্য করা যাবেঃ
১। মানুষ জানবে এই সাইটে যে তথ্য থাকবে তা কত ভাগ সত্য তা সঠিক ভাবে জানতে পারবে।
২। পত্রিকা গুলোর একটা জবাবদিহি করার জাইগা তৈরি হবে।
৩। নিজেদের মধ্যে সত্য , বস্তুনিষ্ঠ , সংবাদ প্রকাশের তাগিদ বাড়বে।
৪। সুবিচার নিশ্চিত করনের জন্য এখানকার তথ্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
৫। মানুষ মিথ্যার উপর  সত্যকে প্রাধান্য দিতে ইচ্ছা পোষণ করবে।
৬। মিথ্যাকে সহজেই চিহ্নিত করতে শিখবে। সমাজে আপনা আপনি মিথ্যা কোণঠাসা হয়ে পড়বে।
৭। পাঠক যেন নিজেরাই সত্য সম্পর্কে একটা সার্বিক চিত্র তৈরি করতে পারে তার জন্য আর্টিকেল , সত্য উদ্ঘাতনের  কলাকৌশল, সম্পর্কে নিয়মিত বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রকাশিত হবে। 
  
নমুনা প্রশ্নপত্রঃ
১। আপনি প্রতিদিন কতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন?
২। কোন পেশাজীবী  শ্রেণীর মানুষরা  বেশি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন
শিক্ষক, বিচারক, উকিল, ডাক্তার, প্রকৌশলী , ব্যবসায়ী, ইমাম বা পুরোহিত বা পাদ্রী, ব্যাংকার, সাংবাদিক।
৩। পত্রিকা পড়ে সত্য জানা সম্ভব বলে আপনি মনে করেন?
৪।  পত্রিকায় প্রকাশিত কোন তথ্য সত্য না মিথ্যা তা যাচাই করার জন্য কি করেন?
৫। প্রতিদিন  কয়টা পত্রিকা পড়েন?
৬। কোন পত্রিকা সত্য প্রকাশ করে বেশি?
৭। কোন বিষয়টা বদলালে বাংলাদেশ দ্রুত  বদলে যাবে বলে আপনি মনে করেন
অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাধীন  বিচার ব্যাবস্থা, পুলিশ প্রশাসন, রাজনীতিবিদ,
সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা, প্রকৃত সত্যের চর্চা,   
৮। কি ধরনের তথ্য জানতে বেশি ইন্টারনেটে যান?  

Comments

Popular posts from this blog

টার্কির প্রতিদ্বন্দ্বী

দেশী পণ্য এবং আড়ং এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র